ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঠাণ্ডা দূর করতে বেসনের কারিশমা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
ঠাণ্ডা দূর করতে বেসনের কারিশমা
সংগৃহীত : ছবি
Advertisement (Adsense)

 যাদের সহজেই ঠাণ্ডা লেগে যায় তাদের জন্য শীতকাল খুবই যন্ত্রণাদায়ক। এ সময়ে নাক বন্ধ থাকা, গলা খুসখুস করা বা গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। মূলত শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে এ সমস্যা হয় তাদের। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ব্যায়াম ও ঘুমের পাশাপাশি ঘরোয়া প্রতিকারও জেনে রাখা উচিত এ সময়ে। এমনই একটি ঘরোয়া প্রতিকার হলো বেসন।

ঠাণ্ডার প্রতিকার হিসেবে লেবু, মধু, আদা, এসবের কথা জানেন অনেকেই। কিন্তু ঠাণ্ডা কমাতে যে বেসনের ভূমিকা আছে, তা জানেন না অনেকে। উত্তর ভারতে এই প্রতিকারটি প্রচলিত। ঠাণ্ডা, নাক দিয়ে সর্দি ঝরা, গলা ব্যথা দূর করতে কাজে আসে বেসন।

এই প্রতিকারের জন্য বেসন রান্না করতে হয় ঘিতে। এর সাথে যোগ করা হয় অল্প দুধ, কিছু মশলা ও গুড়। এতে তৈরি খাবারটি হয় হালুয়ার মতো। একে সেদেশে বলা হয় বেসন শিরা। বিভিন্ন এলাকায় এর রেসিপি আলাদা, তবে এর জন্য দরকারি দুইটি উপাদান থাকে অপরিবর্তিত, তা হলো বেসন ও ঘি।

বেসনের এই খাবারটির উপকারিতা মূলত আয়ুর্বেদিক। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ড. আশুতোষ গৌতমের মতে, বেসনে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে তা ঠাণ্ডা দূর করতে কার্যকরী। শুধু তাই নয়, অসুস্থ ও দুর্বল শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে বেসন। অনেক সময়ে এতে হলুদ গুঁড়ো দেওয়া হয়, সেটা ঠাণ্ডা দূর করতে কাজে আসে। ঘিয়ে ধীরে ধীরে বেসন ভাজার কারণে এবং এতে গুড় দেওয়ার কারণেও শরীর ভেতর থেকে গরম হয়ে আসে।

বেসনের এই হালুয়া তৈরির জন্য আপনার দরকার হবে বেসন, ঘি, গোলমরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, দুধ ও গুড়।

একটি তলাভারি পাত্রে কয়েক চামচ ঘি গরম করে নিন ও এতে বেসন ধীরে ধীরে ভেজে নিন। ক্রমাগত নাড়ুন। রং গাড় হয়ে এলে এতে দুধ দিয়ে দিন ও নাড়তে থাকুন।  এরপর হলুদ ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিতে পারেন। সবশেষে গুড় দিয়ে পাঁচ মিনিট নেড়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম খেয়ে নিন এই মিশ্রণ। ওপরে কিছু বাদামও দেওয়া যেতে পারে।

তবে এটা মনে রাখতে হবে যে, এই প্রতিকারটি নিতান্তই ঘরোয়া। ওষুধের পরিবর্তে এই খাবারটি খাওয়া যাবে না। আপনার যদি তীব্র ঠাণ্ডা লেগে যায়, তাহলে ওষুধের পাশাপাশি তা খেতে পারেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন

Advertisement (Adsense)