ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • প্রচ্ছদ
  • »
  • স্বাস্থ্য
  • »
  • আপনার কি গ্যাস্ট্রিক না পেপটিক আলসারের ব্যথা ? না জেনে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাবেন না !!!

আপনার কি গ্যাস্ট্রিক না পেপটিক আলসারের ব্যথা ? না জেনে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাবেন না !!!

সাবধান
স্বাস্থ্য ডেস্ক
আপনার কি গ্যাস্ট্রিক না পেপটিক আলসারের ব্যথা ? না জেনে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাবেন না !!!
সংগৃহীত : ছবি
Advertisement (Adsense)

খালিপেটে থাকলে আমাদের পেটের উপরিভাগে যদি ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভুত হয় তবে তাকে আমরা সাধারণত গ্যাস্ট্রিক পেইন বলে ডেকে থাকি। আসলে গ্যাস্ট্রিক শব্দের প্রকৃত অর্থ কিন্ত পাকস্থলি বা (Stomach) আর যাকে আমরা গ্যাস্ট্রিক পেইন বলে থাকি তা কিন্ত আসলে সম্ভবত পেপটিক আলসার এর ব্যথা।

তারপরও বলা প্রয়োজন যে পেটের উপরি অংশে শুধু পেপটিক আলসার এর কারনেই ব্যথা হয়না , ব্যাথা বা জ্বালাপোড়ার অন্য কারন ও আছে।

মানুষের পাকস্থলি খুব শক্তিশালী এসিড উৎপন্ন করে থাকে, আর একে নিস্ক্রিয় করার জন্য রয়েছে বেশ শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থাও, যখন এদের মধ্যে ভারসাম্য নস্ট হয়ে এসিডের আধিক্য দেখা দেয় তখন পাকস্থলির গায়ে, গলনালির শেষে বা ক্ষুদ্রান্তে ঘা হয়। এর নামই পেপটিক আলসার (Peptic Ulcer)। অবশ্য হেলিকোব্যক্টার পাইলোরি (Helicobacter pylori) নামক জীবানুটিকে সরাসরি আলসার হবার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা গেছে অনেক আগেই, তবে ব্যথানাশক বা অন্যান্য কিছু অসুধও আলসার হবার জন্য সরাসরি দায়ী। ধুমপান, এলকোহল সেবন, অতিরিক্ত ক্রোধ বা উত্তেজনা প্রদর্শণ ইত্যাদি পেপটিক আলসারের ঝুকি অনেক গুনে বাড়িয়ে দেয়।

বার বার পেটের উপরি অংশের মাঝ বরাবর ব্যথা বা জ্বালা পোড়া করা যা সাধারণত খাবার পরে কমে যায় এবং বছরে বেশ কয়েকবার হয় এমনটি হলেই ধরে নেয়া হয় যে রোগীর পেপটিক আলসার জাতীয় রোগ রয়েছে। তবে অমন উপসর্গ হবার নানাবিধ কারন রয়েছে। এন্ডোসকোপি (Endoscopy) পরীক্ষার মাধ্যমে আলসার আছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা যায় সেই সাথে বায়োপসি (Biopsy) করে বোঝা যায় সেটা অন্য কোনো রোগ থেকে হয়েছে কিনা কিংবা জীবানু আছে কিনা।

চিকিৎসা শুরুর আগেই নিশ্চিত হওয়া জরুরী যে এটা পেপটিক আলসার রোগ কিনা কারণ পাকস্থলির ক্যান্সার, জি,ই,আর,ডি (GERD) এই জাতীয় রোগ গুলোতেও একই রকম উপসর্গ থাকে। আর চিকিৎসা শুরু করে দিলে ঐ রোগ গূলো নির্ণয় করা বেশ জটিল হয়ে যায়। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই এর চিকিৎসা শুরু করা উচিত।

ধুমপান, এলকোহল ও ব্যথানাশক অসুধ কম খেলে এই রোগ অনেকাংশে নিয়ন্রন করা যায়। জীবানুর আক্রমনে এই রোগ হলে নিয়ম অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক ও আলসার প্রতিরোধক অসুধ খেতে হবে। এন্টাসিড জাতীয় অসুধ এ রোগের সাময়িক নিরাময় করে; রেনিটিডিন, ওমিপ্রাজল, ইসমিপ্রাজল, রাবিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল ইত্যাদি অসুধ আলসার ভালো হতে যথেষ্ট ভুমিকা রাখে।

আরও পড়ুন

Advertisement (Adsense)