ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কোরবানির আগে যা জানা উচিত সবার !!

স্বাস্থ্য ডেস্ক
কোরবানির আগে যা জানা উচিত সবার !!
Advertisement (Adsense)

আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার পরই শুরু হয়ে যাবে ঈদুল আজহা। এই ঈদে কোরবানির পশু কিনতে যাওয়া থেকে শুরু করে কোরবানি দেওয়া, কোরবানির পর করণীয় নানা দিক খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।

পশু কেনার পর
পশুর যাতে ঠান্ডা না লাগে এমন স্থানে রাখুন। পশুকে শুকনো স্থানে রাখা প্রয়োজন। পশু রাখার স্থানে মেঝেতে চট বা খড় বিছিয়ে দিন। পশুর গায়েও চট দিতে পারেন। পশু অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

পশুর খাবার
পশুর খাবার হিসেবে খড়, দানাদার খাদ্য যেমন—কুড়া, গমের ভুসি, ছোলাভাঙা, ভাতের মাড়, চিটাগুড়, ছাগলের জন্য কাঁঠালপাতাসহ অন্যান্য পাতা ও দানাদার খাদ্য খাওয়ানো যায়।

পশু কোরবানির আগে
পশু কোরবানি দেওয়ার আগে পশুকে প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে। এতে জবাই করার পর চামড়া ছাড়াতে সুবিধা হবে। পশু কোরবানির স্থান আগেই ঠিক করে নিন। আগে থেকেই কসাই ঠিক করে রাখুন। পশু কাটার জন্য ছুরি, দা প্রভৃতি ধার দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

পশুর চামড়া ছাড়াতে
পশুর চামড়া একটি জাতীয় সম্পদ। ঠিকমতো চামড়া ছাড়াতে পারলে এর দাম ঠিক পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কলেজ অব লেদার টেকনোলজির প্রভাষক সবুর আহেমদ বলেন, পশুকে কোরবানির আগে প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে। এতে চামড়া ছাড়াতে সুবিধা হবে। পশু জবাই করার পর দক্ষ লোক দিয়ে চামড়া ছাড়াতে হবে। অনেকে চামড়ার সঙ্গে লেগে থাকা মাংস বাঁচাতে গিয়ে চামড়া কেটে ফেলেন। এ ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ কাটা চামড়ার দাম ও মান অনেক কম। চামড়া ছাড়াতে ধারালো চাকু বা ছুরি ব্যবহার করতে হবে। তবে পশু জবাই করার পরপরই চামড়া সাইজ করে নিতে হয়। এতে চামড়া কাটতে সুবিধা হয়। চামড়া কাটা হয়ে গেলে তা থেকে ধুলা ও রক্ত এবং লেগে থাকা মাংস পরিষ্কার করতে হবে। এরপর পর্যাপ্ত লবণ মেখে চামড়া সংরক্ষণ করতে হবে।

পরিবেশ থাকুক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
কোরবানির পশু জবাই করার পর ময়লা-আবর্জনা জমে যায়। এসব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করলে পরিবেশ দূষিত হতে পারে। গন্ধের সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা দেওয়ান মো. শাহ্ আলম বলেন, কোরবানির পরপরই পশু জবাই করার স্থানে পানি ঢেলে রক্ত পরিষ্কার করতে হবে। রক্ত যেন শুকিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিভিন্ন ময়লা যেমন—হাড়গোড়, নাড়িভুঁড়ি, চামড়ার কাটা অংশ প্রভৃতি এক স্থানে জমা করে রাখতে হবে। এরপর এমন স্থানে রাখতে হবে, যাতে পরিচ্ছন্নকতার্মীরা এসে নিয়ে যেতে পারে। তবে কোনো স্থানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসতে দেরি হলে বা না এলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এ ছাড়া যেসব স্থানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই সেখান সব ময়লা-আবর্জনা একত্র করে মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলতে হবে। এতে একদিক থেকে যেমন ময়লা-আবর্জনা দূর হবে, অন্যদিকে পরিবেশও ভালো থাকবে।

আরও পড়ুন

Advertisement (Adsense)