ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চুলের আগা ফাটা রোধে যা এড়িয়ে চলবেন

রূপচর্চা ডেস্ক
চুলের আগা ফাটা রোধে যা এড়িয়ে চলবেন
সংগৃহীত : ছবি
Advertisement (Adsense)

চুলের আগা ফাটা রোধে যা এড়িয়ে চলবেন​

চড়া রোদ
রোদের হাত থেকে ত্বক বাঁচানোর জন্য তো সানস্ক্রিন লাগান। চুলের জন্য কিছু ভেবেছেন কি? রোদে বেরোনোর সময় স্কার্ফ বা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। হেয়ার সিরাম লাগালে বাড়তি সুরক্ষা পাবেন। দূষণ ও অতিরিক্ত ধুলোময়লার কারণেও চুল রুক্ষ আর শুকনো হয়ে যায়, তাই নিয়মিত শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করাও খুব দরকার।

কড়া শ্যাম্পু
ডিটারজেন্টের পরিমাণ বেশি এমন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুলে খুব তাড়াতাড়ি চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে৷ এ ধরনের শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন৷ বদলে নরম, ভেষজ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন৷ শ্যাম্পু আপনার চুলের গঠনের সঙ্গে মানানসই কিনা সেটাও দেখা দরকার৷ শ্যাম্পু করার পর যদি চুল রুক্ষ লাগে, বুঝবেন আপনার চুলের পক্ষে ওই বিশেষ শ্যাম্পুটি ঠিক নয়৷

অতিরিক্ত স্টাইলিং টুলের ব্যবহার
নিয়মিত গরম হেয়ার ড্রায়ার, আয়রন, কার্লার ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যায়৷ চুল দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এবং তার প্রথম চিহ্ন ডগা ফেটে যাওয়া৷ যতটা সম্ভব এই সব স্টাইলিং টুল এড়িয়ে চলুন৷

কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট
চুলের রং বারবার বদলালে বা কেমিক্যাল দিয়ে চুল সেট করালেও চুল শুষ্ক হয়ে যায়। এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব।

কন্ডিশনার
প্রতিবার শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। কন্ডিশনার লাগানোর সময় চুলের নিচের দিক থেকে লাগাতে শুরু করবেন ও তারপর উপরের অংশে লাগাবেন। শ্যাম্পু আপনার চুলের আর্দ্রতা আর স্বাভাবিক তেলাভাব নষ্ট করে দেয়। কন্ডিশনার হারানো আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনে চুল কোমল রাখে, ডগা ফাটতেও দেয় না। চুল বেশি শুষ্ক হলে লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন৷

চুলের মাস্ক
যাঁদের চুল অতিরিক্ত শুষ্ক আর বিবর্ণ, তাঁরা জৌলুস ফেরাতে ব্যবহার করুন হেয়ার মাস্ক৷ সপ্তাহে অন্তত দু’দিন শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে ভালো করে মাস্ক লাগিয়ে আধ ঘন্টা রেখে দিন৷ ডিম, দুধ, অ্যাভোকাডো, তেলের মতো উপাদান দিয়ে বাড়িতেও তৈরি করে নিতে পারেন মাস্ক৷ চুলের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে জুড়ি নেই হেয়ার মাস্কের৷

তেল
চুল চটচটে হয়ে যাওয়ার ভয়ে আজকাল অনেকেই পারতপক্ষে তেল লাগাতে চান না। কিন্তু সত্যিটা হল, তেল চুলের উপর একটি সুরক্ষার আস্তর তৈরি করে চুল নরম আর কোমল রাখে৷ নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, আর্গান অয়েল বা আমন্ড অয়েল চুলে বাড়তি পুষ্টিও জোগায়৷ সপ্তাহে অন্তত একদিন সারা চুলে আর মাথার ত্বকে ভালো করে তেল মেখে সারা রাত রেখে দিন৷ পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে নিলেই চুল ঝলমলে হয়ে উঠবে, কাছে ঘেঁষতে পারবে না রুক্ষতাও৷

হেয়ার সিরাম
শ্যাম্পু আর কন্ডিশনিংয়ের পর ভেজা চুলে হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন৷ হেয়ার সিরাম লাগানো থাকলে চুল দিনভর আর্দ্রতার জোগান পায়, রুক্ষতাও কমে যায় অনেকটাই৷

আরও পড়ুন

Advertisement (Adsense)