ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চুলের ডগা আর ফাটবেনা যা করলে

রূপচর্চা ডেস্ক
 চুলের ডগা আর ফাটবেনা যা করলে
সংগৃহীত : ছবি
Advertisement (Adsense)

রেশমের মতো মসৃণ, আলো পিছলোনো এক মাথা চুল পেতে কার না ইচ্ছে করে! কিন্তু চাইলেই তো আর হবে না! পরিশ্রম করতে হবে, চুলের যত্নে সময়ও দিতে হবে। মুশকিল হল, হাজার সময় দিয়েও যদি চুলের ডগা ফাটা থাকে তা হলে কিন্তু কিছুতেই চুল সুন্দর দেখাবে না৷ আজকের ব্যস্ত দিনে চুলের জন্য একগাদা সময় খরচ করা আমাদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না৷ চটজলদি শ্যাম্পু, স্টাইলিংয়ের উপরেই আমরা ভরসা করি বেশি৷ ফলে দিনের পর দিন পার্লারের কেমিক্যাল আর হিটিং টুলসের ভরসায় থাকতে থাকতে কখন যে চুল শুকনো হতে শুরু করে আর কখন যে ডগা ফেটে যায়, আমরা টেরও পাই না৷ আর একবার চুলের ডগা ফেটে গেলে চুল তো বাড়েই না, বরং মাঝখান থেকে ভেঙে যায়, চুল রুক্ষ, অসুস্থ ও নিষ্প্রাণ দেখায়। কেটে ফেলা ছাড়া তখন আর কোনও উপায় থাকে না।

কেন ফেটে যায় চুলের ডগা?
এক কথায় উত্তর, আর্দ্রতার অভাব। চুল অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে বিবর্ণ হয়ে যায়, ডগার দিক থেকে চিরে যায়। নানা কারণে চুল আর্দ্রতাবিহীন, শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, কী কী কারণে চুল শুকনো হয়ে ফেটে যেতে পারে।

ঘনঘন শ্যাম্পু করা
কড়া শ্যাম্পু দিয়ে বারবার চুল ধুলে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। শ্যাম্পু যদি চুলের ধরনের সঙ্গে মানানসই না হয়, তা হলেও তা চুল রুক্ষ করে দিতে পারে। চুল ক্রমাগত রুক্ষ হতে হতে একসময় চুলের ডগা ফেটে যাওয়া খুব স্বাভাবিক!

অতিরিক্ত ব্লো ড্রাই
চুল সেট করে সুন্দর রাখতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু নিয়মিত ব্লো ড্রাই করলেও চুলের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। ড্রায়ারের গরম হাওয়া চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা শুষে নিয়ে চুল নিষ্প্রাণ আর রুক্ষ করে তোলে।

হাইলাইট আর হেয়ার কালার
চুলে রং করা মানেই একগাদা রাসায়নিক চুলে লাগানো। ঘন ঘন চুলে রং করলে বা হাইলাইট করানোর অর্থ বারবার কেমিক্যাল লাগানো। বিশেষ করে কম দামি রং ব্যবহার করলে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অতিরিক্ত চুল আঁচড়ানো
খুব দ্রুত হাতে ঘনঘন চুল আঁচড়ালে বা ব্রাশ করলে ঘর্ষণজনিত কারণে চুলের ডগা ফেটে যাওয়া ফেটে যাওয়া বিচিত্র নয়।

অতিরিক্ত স্টাইলিং
চুল বারবার স্ট্রেট করা, কার্ল করা বা পার্ম করানোর কারণে প্রচণ্ড রুক্ষ হয়ে যায়। এ সব ক্ষেত্রে হিটিং টুলস দিয়ে চুলের স্বাভাবিক গঠনটা পালটে দেওয়া হয় এবং হেয়ার ফলিকলের আর্দ্রতা ক্রমশ হারিয়ে যেতে থাকে। ফল, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ, ভঙ্গুর চুল।

জিনগত কারণ
শুধু বাহ্যিক কারণেই নয়, জিনের কারণেও অনেকের চুল জন্মগতভাবেই শুষ্ক হয়। তা ছাড়া জিনগত কারণে অনেক ক্ষেত্রে চুলের গঠন কোথাও মোটা আবার কোথাও পাতলা হতে পারে। অসমান টেক্সচারের কারণে চুলের ডগা ফেটে চুল ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন

Advertisement (Adsense)